Be yourself; Everyone else is already taken.
— Oscar Wilde.
This is the first post on my new blog. I’m just getting this new blog going, so stay tuned for more. Subscribe below to get notified when I post new updates.
অনলাইন সংবাদপত্র
Be yourself; Everyone else is already taken.
— Oscar Wilde.
This is the first post on my new blog. I’m just getting this new blog going, so stay tuned for more. Subscribe below to get notified when I post new updates.
দাড়ি রেখে ও হিজাব-পাগড়ি পরে মার্কিন বিমানবাহিনীতে চাকরি করতে পারবেন মুসলমান ও শিখ ধর্মাবলম্বীরা। নিজ নিজ ধর্মানুসারে পোশাক পরার অনুমোদন দিতে বাহিনীর নীতিমালা হালনাগাদ করেছে।-খবর সিএনএনের
গত সপ্তাহে চূড়ান্ত হওয়া নীতিমালা অনুসারে, শিখ ও মুসলমানরা তাদের ধর্মীয় পোশাকের সঙ্গে খাপ খাইয়েই এই চাকরি করতে পারবেন। তারা পাগড়ি ও হিজাব পরতে পারবেন। আবার ধর্মীয় বিধি অনুসারে দাড়ি রেখে, চুল না কেটেও থাকতে পারবেন।
আগে ধর্মীয় পোশাক পরার ক্ষেত্রে তাদের ব্যাপক বিধিনিষেধের মধ্য দিয়ে যেতে হতো। এক এক করে বিবেচনা করে সেই অনুমোদন দেয়া হতো। কিন্তু নতুন বিধিমালায় সেই প্রক্রিয়া সহজ ও দ্রুত করা হয়েছে।
নতুন বিধিমালায় যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরে ধর্মীয় পোশাকের অনুমোদন পেতে ৩০ দিন ও দেশটির বাইরে হলে ৬০ দিন সময় লাগবে। আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে– ক্যারিয়ারের পুরোটা সময়ই তারা এই পোশাক পরার অনুমোদন পাবেন।
শিখ ও মুসলিম অ্যাডভোকেসি গোষ্ঠীগুলো বলছে– সব ধর্মাবলম্বীর অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে এটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। যদিও কেউ কেউ বলছেন, এ ক্ষেত্রে সামরিক বাহিনীকে আরও সামনে এগিয়ে যেতে হবে।
কাউন্সিল অব আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশনসের জাতীয় যোগাযোগ পরিচালক ইব্রাহীম হুপার বলেন, নতুন এই বিধিমালাকে আমরা স্বাগত জানাই। এতে সব ধর্মের লোকদের সামরিক বাহিনীতে অন্তর্ভুক্তিকরণ সহজ হবে।
আর ব্যতিক্রম ছাড়া ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের সামরিক বাহিনীতে অন্তর্ভুক্তিকরণের আহ্বান জানিয়েছে শিখ কোয়ালিশন ও শিখ আমেরিকান ভিটার্নস অ্যালায়েন্স।
শিখ কোয়ালিশনের অ্যাটর্নি কর্মকর্তা গিসালে ক্লাপার বলেন, শিখরা অত্যন্ত মর্যাদা ও দক্ষতার সঙ্গে মার্কিন সশস্ত্র বাহিনী ও অন্যান্য বাহিনীতে কাজ করেছে।
সিলেট ও চট্টগ্রাম মহাসড়কে উঠতে সায়েদাবাদ ও যাত্রাবাড়ীর রাস্তায় চাপ কমানোর লক্ষ্যে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারীত্বের (পিপিপি) ভিত্তিতে রাজধানীর হারিরঝিল ও রামপুরা সেতু থেকে বনশ্রী, শেখের জায়গা ও আমুলিয়া হয়ে ডেমরা পর্যন্ত সড়কটি ফোর লেনে উন্নীত করবে সরকার।
প্রস্তাবিত এ সড়কের কাজ শেষ করতে ১ হাজার ২০৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা ব্যয় ধরে একটি সহায়ক প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। এর বাইরেও কমিটি আরও ৮টি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে। এ ৮ প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় হবে ৪ হাজার ৩২৪ কোটি ৬১ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ৪ হাজার ২৪৯ কোটি টাকা, বাস্তবায়নকারী সংস্থা থেকে ৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকা ও বৈদেশিক সহায়তা থেকে ৬৯ কোটি ৮৪ লাখ টাকা খরচ করা হবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) শেরে বাংলা নগর এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেকের সভায় এসব প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। সভা শেষে পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান সংবাদ ব্রিফিংয়ে অনুমোদন পাওয়া প্রকল্পগুলোর বিস্তারিত তুলে ধরেন।
প্রকল্পগুলোর মোট ব্যয় ৬ হাজার ২৭৬ কোটি ২৪ লাখ টাকা। এর মধ্যে বৈদেশিক ঋণ ২ হাজার ৯৬২ কোটি ৩২ লাখ টাকা বলে জানান পরিকল্পনামন্ত্রী।
মন্ত্রী জানান, অর্থ দিয়ে প্রকল্প এলাকার জমি অধিগ্রহণ, পুনর্বাসন, ক্ষতিপূরণ ও ইউটিলিটি স্থানান্তরের কাজ সম্পন্ন করা হবে। একই সঙ্গে প্রকল্প বাস্তবায়নকারী পরামর্শক ও স্বাধীন প্রকৌশল পরামর্শক সেবার মাধ্যমে নির্মাণ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কার্যক্রম তদারকি করা হবে। এ জন্য প্রয়োজনীয় কম্পিউটার সামগ্রী, ভাড়াভিত্তিক যানবাহন ব্যবহার করা হবে। প্রকল্পের আওতায় ৭২ জন সরকারি কর্মকর্তা বিদেশ সফর করবেন। তাদের জন্য আলাদা বরাদ্দ রাখা হয়েছে বলে জানান এম এ মান্নান।
সূত্র জানায়, সড়ক বিভাগের প্রস্তাব অনুসারে হাতিরঝিল সংলগ্ন রামপুরা সেতুর কাছ থেকে শুরু হয়ে বনশ্রী-মেরাদিয়া-শেখের জায়গা-আমুলিয়া-ডেমরা পর্যন্ত সাড়ে ১৩ কিলোমিটার মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করা হবে। সড়কটির একটি অংশ ডেমরা থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চিটাগাং রোডে শেষ হবে। আরেকটি অংশ সুলতানা কামাল সেতু হয়ে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের তারাবো লিংক মহাসড়ককে যুক্ত করবে। উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা (ডিপিপি) অনুসারে, অনুমোদন পেলে চলতি অর্থবছরের জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর নাগাদ কাজ শেষ হবে।
হাতিরঝিল সংশ্লিষ্ট প্রস্তাবিত এ সড়কটি ফোর লেনে উন্নীত হলে প্রতিদিন এটি দিয়ে ১১ হাজার যানবাহন চলাচল করতে পারবে। মহাসড়কটি রাজধানী ঢাকার সঙ্গে বন্দরনগর চট্টগ্রাম, সিলেট, নারায়ণগঞ্জসহ অন্য জেলার সংযোগ ঘটাবে। প্রস্তাবিত র্যুটটি গুলশান, বাড্ডা, ফার্মগেট, তেজগাঁও, বনানী, রামপুরা ও উত্তরার যানবাহনও আকৃষ্ট করবে। এছাড়া, এটি দুই গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় মহাসড়ক ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সঙ্গেও সংযুক্ত হবে।
প্রস্তাবিত সড়কের মূল প্রকল্পের অংশ রয়েছে ৩টি। প্রথমটি হচ্ছে রামপুরা ব্রিজ থেকে ডেমরা সার্কেল, দ্বিতীয়টি ডেমরা সার্কেল থেকে চিটাগাং রোড ও তৃতীয়টি ডেমরা থেকে তারাবো মোড় পর্যন্ত।
প্রথম অংশটি সাড়ে ৯ কিলোমিটার। এর মধ্যে রামপুরা থেকে বনশ্রী আইডিয়াল স্কুল পর্যন্ত ১ কিলোমিটার ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতাভুক্ত। বনশ্রী আইডিয়াল স্কুল থেকে মেরাদিয়া পর্যন্ত ১.২৫ কিলোমিটার সড়ক ও জনপথের আওতাভুক্ত। রামপুরা ব্রিজ থেকে মেরাদিয়া পর্যন্ত বর্তমানে সড়কের পাশে লেক রয়েছে। লেক ও বিদ্যমান সড়কের মধ্যে অব্যবহৃত সড়কের ঢালে পিয়ারের মাধ্যমে এলিভেটেড সড়ক নির্মাণ করা হবে।
পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, বাইপাস এ সড়কটি হবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সড়কটি অনুমোদন পেলে সিলেট ও চট্টগ্রামবাসীর জন্য খুবই ভালো হবে। কোনো জটলা ছাড়াই ঢাকা থেকে সিলেট ও চট্টগ্রামে যাতায়াত করতে পারবো আমরা। গুরুত্বসহকারে এটি বাস্তবায়ন করা হবে।
নির্বাচনের আগে প্রকল্প অনুমোদন দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, অনুমোদন পাওয়া প্রকল্পটির কাজ সভায় অনুমোদিত ৯টি প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে। এর বাইরে অন্য প্রকগুলোর মধ্যে রংপুর সিটি করপোরেশনের জন্য যানবাহন ও যন্ত্রপাতি ক্রয় প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ১১৩ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। রাজশাহী ওয়াসা ভবন নির্মাণ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৬৫ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। ভান্ডাল জুড়ি পানি সরবরাহ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৯৫৮ কোটি ৮৫ কোটি টাকা। মোংলা বন্দর চ্যানেলের ইনার বারে ড্রেজিং প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৭৯৩ কোটি ৭২ লাখ টাকা। নারায়ণগঞ্জ লিংক সড়ক ৬ লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পের খরচ ৪৪৯ কোটি ৫৮ লাখ, আধুনিক প্রযুক্তি সম্প্রসারণের মাধ্যমে রাজশাহী বিভাগের কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের খরচ ১৪৭ কোটি, সুনামগঞ্জ জেলার দোয়ারাবাজার ও ছাতক উপজেলার আওতাধীন সুরমা নদীর ডান তীরে অবস্থিত দোয়ারাবাজার উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স, লক্ষীবাউর ও বেতুরা এলাকায় নদীতীর সংরক্ষণ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ১৯১ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। এছাড়া অনুমোদন পাওয়া মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলায় আড়িয়াল খাঁ নদীতীর সংরক্ষণ ও ড্রেজিং প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৩৯৪ কোটি ৪৭ লাখ টাকা।
১৭ বাংলাদেশি জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে মিয়ানমার
মাছ ধরার বোটসহ ১৭ বাংলাদেশি জেলেকে আট’ক করেছে মিয়ানমার নৌ’বাহিনী। ইঞ্জিন বিকল হয়ে মিয়ানমারের সমুদ্র’সীমা’নায় ঢুকে পড়লে তাদের আট’ক করা হয়।
বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে টেকনাফের সেন্টমার্টিন এলাকা দিয়ে তারা মিয়ানমারের সীমা’নায় ঢু’কে পড়েন। আট’ক’দের ফিরিয়ে আনতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড।
বিষয়টি নিশ্চিত করে কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার এম. হামিদুল ইসলাম জানান, গত রাতে সেন্টমার্টিন এলাকায় মাছ ধরতে গিয়ে বোটের ইঞ্জিল বিকল হয়ে আট’কা পড়ে ১৭ বাংলাদেশি। ঢেউয়ের কারণে তাদের ফিসিং বোট মিয়ানমার সীমা’ন্তে ঢুকে পড়ে। এতে তাদের আট’ক করে বোটসহ নিয়ে যায় মিয়ানমার নৌবাহিনী।
বিষয়টি জানার পর উদ্ধার অভিযানের অংশ হিসেবে মিয়ানমার নৌবাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। তাদের ফিরিয়ে আনতে প্রচেষ্টা চালাচ্ছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড।

মৌলভীবাজার:- মৌলভীবাজার অনলাইন প্রেসক্লাবের সদস্য এবং দৈনিক সোনালী খবর পত্রিকা ও অনলাইন নিউজপোর্টাল প্রিয়সিলেট ২৪ ডটকমের বড়লেখা প্রতিনিধি মস্তফা উদ্দিনকে রহস্যজনকভাবে পুলিশ অ্যাসল্ট মামলায় আসামী করার কারণে ১০ই অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল ১১ ঘটিকায় মৌলভীবাজার চৌমুহনা চত্ত্বরে প্রতিবাদ সভা ও মানববন্ধন পালন করে মৌলভীবাজার অনলাইন প্রেসক্লাব। পরে জেলা পুলিশ সুপারের কাছে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ স্মারকলিপি প্রদান করে। মৌলভীবাজার অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি জিতু তালুকদারের সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন রহমান বাপ্পির সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন অনলাইন প্রেসক্লাবের প্রতিষ্টাতা ও উপদেষ্টা, সিনিয়র সাংবাদিক শ ই সরকার জবলু, অনলাইন প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহসভাপতি মোঃ তাজুদুর রহমান, দৈনিক মানবকন্ঠের জেলা প্রতিনিধি বেলাল তালুকদার,কমলকুড়ি পত্রিকার সম্পাদক পিন্টু দেবনাথ, দি এশিয়ান এইজের কমলগঞ্জ প্রতিনিধি মোনায়েম খান, দুর্নীতি মুক্তকরণ বাংলাদেশ যুব ফোরাম মৌলভীবাজার শাখার সাধারণ সম্পাদক এম এ সামাদ, দৈনিক সোনালিকন্ঠের স্টাফ রিপোর্টার মইনুদ্দিন, ওপেন আই ডট কমের বার্তা সম্পাদক শাহনেওয়াজ চৌধুরী সুমন, দৈনিক খোলা চিঠির স্টাফ রিপোর্টার রোমান আহমদ,অনলাইন প্রেসক্লাবের প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক নাজমুল বারী সুহেল, সিলেট ভয়েজের স্টাফ রিপোর্টার এনামুল আলম প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালণ করতে যাওয়া কোন সাংবাদিক, পুলিশ অ্যাসল্ট মামলার আসামী হয়ে হাজতবাসের ঘটনা শুধু দুঃখজনকই নয়, নিঃসন্দেহে ন্যাক্কারজনকও বটে। তাই, মৌলভীবাজার অনলাইন প্রেসক্লাব সাংবাদিক মস্তফা উদ্দিনকে পুলিশ অ্যাসল্ট মামলায় আসামী করার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
উল্লেখ্য যে, গত ১০ আগস্ট ২০১৯ইং শনিবার বড়লেখা উপজেলার দাসেরবাজার এলাকার কুলাউড়া-চান্দগ্রাম মেইন রোডে সংঘটিত সুড়িকান্দি ও লঘাটি গ্রামবাসীর মধ্যকার সংঘর্ষের ঘটনায় বড়লেখা থানার এসআই সুব্রত কুমার দাস মৌলভীবাজার অনলাইন প্রেসক্লাবের সদস্য এবং দৈনিক সোনালী খবর পত্রিকা ও অনলাইন নিউজপোর্টাল প্রিয়সিলেট ২৪ ডটকমের বড়লেখা উপজেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক মস্তফা উদ্দিনকে রহস্যজনকভাবে পুলিশ অ্যাসল্ট মামলায় আসামী করেন। বড়লেখা থানায় পুলিশ অ্যাসল্ট মামলা নং-১১, জিআর- ১৬৯। এরই প্রেক্ষিত্রে তিনি গত ০৩ অক্টোবর আদালতে হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করলে বিজ্ঞ আদালত তা নামঞ্জুর করে তাকে জেলহাজতে প্রেরণ করেন। সেইথেকে অদ্যাবধি তিনি জেলহাজতে রয়েছেন।

:: সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের নতুন কমিটি গঠন প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে ক্রমশ পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। বুধবার (১৩ নভেম্বর) রাত পৌনে আটটা থেকে উপজেলা চৌমুহনী চত্বরে বিক্ষোভ, সমাবেশ ও সড়ক অবরোধ করে রাখা হয়েছে। অবরোধের কারনে চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছেন উপজেলার সাধারন জনগণ।
জানা গেছে, বুধবার (১৩ নভেম্বর) গোলাপগঞ্জ উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের প্রথম পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক পদের নেতৃত্ব নির্ধারণে কেন্দ্র ও জেলার নেতারা সমঝোতার প্রস্তাব দিলে বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন উপজেলার কাউন্সিলররা। জেলা ও কেন্দ্রের নেতাদের দাবি বয়কট করে ভোট আয়োজনের জন্য মুর্হুমুহু শ্লোগান দিতে থাকেন তৃণমূলের নেতাকর্মী। ভোটের মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্ধারণের দাবিতে অনড় থাকেন কাউন্সিলররা। তাদের তোপের মুখে পড়েন কেন্দ্র এবং জেলার নেতারা। পরে পুলিশি প্রহরায় সম্মেলনস্থল কেন্দ্র থেকে বের হয়ে আসেন নেতারা।
এরপর থেকে উপজেলা আওয়ামী লীগের অধিকাংশ নেতাকর্মী কমিটির দাবি নিয়ে সড়কে নামেন। ভোটের দাবি নিয়ে আন্দোলনকারীরা এসময় সড়ক অবরোধ করে রাখেন। ফলে সিলেট-গোলাপপঞ্জ-বিয়ানীবাজার-জকিগঞ্জ সড়কে যান চলাচলে চরম বিঘ্নিত হচ্ছেন। চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছেন যাত্রীরা ।
বিক্ষুব্ধ এক নেতা এ প্রতিবেদককে জানান, আমরা কেন্দ্র এবং জেলার নেতাদের গঠনতন্ত্রানুযায়ী কমিটি করার জোর দাবি জানিয়েছি। দাবি আদায় না হলে আন্দোলন চলবে।
রাত সোয়া আটটায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেখানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

বেড়াতে গিয়ে বাড়ি ফেরা হলো না ১৬ বছরের স্কুল ছাত্রী ফারজানা রহমানের। দেয়া হলো না এসএসসি পরীক্ষা। চাঁদপুর সদরের বালিয়া ইউনিয়নের বাগাদি গণি উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী ফারজানার ফরমফিলাপের শেষ দিন ছিল আজ ১২ নভেম্বর । তাইতো খালার বাড়ি বেড়ানোর সময় কমিয়ে তড়িঘড়ি বাড়ি ফিরতে চেয়েছিল ফারজানার স্বজনরা।
ব্রাহ্মণাবাড়িয়া মন্দবাগ স্টেশনে সিলেট থেকে চট্টগ্রামগামী উদয়ন এক্সপ্রেস ও চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী তুর্ণা নিশীথা দু’ট্রেনের মুখোমুখি দুর্ঘটনায় প্রাণ হারায় চাঁদপুর সদরের বালিয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের তালুকদার বাড়ির কুয়েত প্রবাসী বিল্লাল বেপারী মেয়ে ফারজানা রহমান । এঘটনায় তার সাথে থাকা ৮ স্বজন মা বেবী বেগম,ভাই হাসান বেপারী, নানু ফিরোজা বেগম,মামাতো বোন মিতু, ইবলি, শিশু দ্রুব,মামী সাহিদা গুরুতর আহতে হয়ে বর্তমানে হাসপাতালে পঙ্গুত্বের পথে।
ফারজানার লাশ চাঁদপুরে তার বাড়িতে আনার পর এলাকার হাজারো লোক বাড়িতে অাসে। তার বিদ্যালয়ে শত শত সহপাঠীসহ অন্য ক্লাশের শত শত শিক্ষার্থী তার এ অকাল মৃত্যুর খবর শুনে বাড়িতে ছুটে আসে।
এ বিষয়ে ব্রেকিং রিপোর্টকে মৃত ফারজানার সহপাঠী এসএসসি পরিক্ষার্থী অন্তরা জানান,‘ফারজানা আমাদের ক্লাশের একজন ভাল ছাত্রী। সে ছিল আমাদের ভাল বন্ধু। ফারজানা বিজ্ঞান বিভাগ থেকে আমাদের সাথে এসএএসসি পরীক্ষা দেয়ার ছিল। সে খুব মেধাবী ছিল ক্লাশে তার রোল ৯। টেস্টএ সে সকল বিষয়ে ভাল নাম্বার পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছিল। আজ ১২ নভেম্বর তার ফরমফিলাপ করার কথা ছিল কিন্তু সে আমাদের সকলকে ছেড়ে চলে গেল আজ ।’
ফুফাতো বোন আয়েশা আক্তার জানান,‘ মঙ্গলবার সিলেটের শ্রীমঙ্গলে খালাতো বোনের বিয়ের অনুষ্ঠানে যায় ফারজানাসহ তাদের পরিবার। ফেরার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটনা ঘটে। আমাদের পরিবারে আরো ৮ জন স্বজন গুরুত্বর আহত হয়ে পঙ্গু হাসপতালে চিকিৎসা নিচ্ছে। এদের অনেকে হয়তো পঙ্গু হয়ে যাবে।’
খবর পেয়ে ময়নাতদন্তের জন্য ফারজানার লাশ আনতে তালুকদার বাড়িতে যান চাঁদপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো.নাছিম উদ্দিন। এলাকার লোকজনের ও সহপাঠিদের আপত্তি কারণে লাশ আর সম্ভব হয়নি।
https://m.facebook.com/chandpurtimes/videos/426037511419931/

চার্জশিটে অভিযুক্তরা হলেন- ঢাকার কাকরাইলের মেসার্স প্রাইম এন্টারপ্রাইজের প্রোপ্রাইটর মো. জাকির হোসেন, ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক হিসাবরক্ষক মো. আবদুল কুদ্দুছ আটিয়া ও তার ছেলে আরিফ আহমেদ।
চার্জশিট দাখিলের বিষয়টি সিলেটভিউকে নিশ্চিত করেছেন দুদকের সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক নুর-ই-আলম।
তিনি জানান, দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে আজ সিলেটের আদালতে চারজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। মামলার তদন্তও প্রধান কার্যালয় থেকে করা হয়।
চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কথিত এমএসআর সামগ্রী সরবরাহের নামে ২৪টি ভুয়া বিলের মাধ্যমে ১ কোটি ৫৭ লাখ ৯৬ হাজার ৬৪ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এর মধ্য দিয়ে তারা দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ও ১০৯ ধারাসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।
জানা গেছে, অভিযুক্ত চারজনের বিরুদ্ধে দেড় কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গেল বছরের ২৪ মে সিলেট নগরীর কোতোয়ালী থানায় মামলা হয়। দুদক প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মাহবুবুল আলম মামলাটি করেন। পরে তিনিই মামলার তদন্ত কর্মকর্তার দায়িত্ব পান।

পাঁচ দিনের ব্যবধানে ভাই ও ভাবিকে হারিয়ে মুষড়ে পড়েছেন জ্যোৎস্না বেগম
গ্রামের বাড়িতে স্বামীর দাফন ও ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকবতা শেষে সোমবার রাতে চট্টগ্রাম ফিরে যাওয়ার জন্য উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনে উঠেছিলেন জাহেদা। তারা ট্রেনে চড়ার কিছুক্ষণ পরই ঘটে দুর্ঘটনা। এতে প্রাণ হারান জাহেদা বেগম (৪০)। গুরুতর আহত হয় জাহেদা বেগমের তিন সন্তান ইমন (১৫) ও সুমি (১০), মিম (২)। আহত হন ওই ট্রেনে থাকা জাহেদা বেগমের মা হাজেরা বেগম। তাদের ঢাকা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শ্রীমঙ্গলের আশিদ্রোন ইউনিয়নের গাজীপুর গ্রামে জাহেদার শ্বশুর বাড়িতে গিয়ে দেখা গেছে, বিলাপ করছেন জাহেদা বেগমের আত্নীয় স্বজনরা৷ সকাল থেকে এলাকার লোকজন এসে ভিড় করছেন বাঁশ আর টিনের বেড়ার ভাঙ্গাচোরা বাড়িটিতে।
স্থানীয় বাসিন্দা টিটু মিয়া জানান, গত শনিবার আমরা জাহেদার স্বামী মুসলিম মিয়াকে দাফন করেছি। রোববার স্বামীর কুলখানি শেষ করে জাহেদা তার বাচ্চাদের বার্ষিক পরীক্ষা দেওয়ানোর জন্য চট্রগ্রাম নিয়ে যাচ্ছিলেন। সেখানে যাওয়ার পথেই দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু হয়৷
জাহেদা বেগমের ননদ জোৎস্না বেগম বলেন, গত বৃহস্পতিবার দুর্ঘটনায় আমার ভাইকে হারিয়েছি। তার পাঁচদিনের মাথায় মরা ভাবীকেও হারিয়ে ফেললাম৷ আমার ভাইয়ের ছেলেমেয়েগুলো এখন এতিম হয়ে গেলো৷
রসঙ্গত, সোমবার ( ১১ নভেম্বর) ভোর পৌনে ৩টার দিকে ব্রাহ্মনবাড়িয়ার কসবা উপজেলার মন্দভাগ রেলওয়ে স্টেশনের ক্রসিংয়ে আন্তঃনগর উদয়ন ও তূর্ণা নিশীথার মধ্যে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এতে ১৭ জন নিহত হন ও আহত হন অর্ধশতাধিক যাত্রী।

ভূমি সংক্রান্ত বিষয়ে সাধারণ সেবাপ্রর্থীরা সরকারি অফিসে কোনো ধরনের হয়রানির শিকার হলে এখন থেকে সরাসরি ১৬১২২ নম্বরে অভিযোগ জানাতে পারবেন। আপনার অভিযোগের যথাযথ ব্যবস্থা নেবে ভূমি মন্ত্রণালয়। স্বচ্ছ, জবাবদিহিতামূলক, দক্ষ ও আধুনিক ভূমি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতে সরকার এ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ভূমি সেবা সংশ্লিষ্ট এই হটলাইন কার্যক্রমের (কল সেন্টার) উদ্বোধন করেন ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী। এতে সভাপতিত্ব করেন সচিব মাকছুদুর রহমান পাটওয়ারী।
ভূমি সংক্রান্ত এই অত্যাধুনিক কল সেন্টারে থাকবে ৩৬ ইউনিটের সিসিটিভি সিস্টেম, ডিজিটাল এলআইডি ইন্টার্যাক্টিভ মনিটরসহ আধুনিক যন্ত্রপাতি। এই কলসেন্টার স্থাপনে প্রাথমিক খরচ প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা ধরা হয়েছে।
ভূমিমন্ত্রী বলেন, জরুরি অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ, অভিযোগ দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তি, সেবাগ্রহিতাদের কাছ থেকে অভিযোগ গ্রহণের উদ্দেশ্য নিয়ে কল সেন্টার চালু করা হল। অভিযোগকারীর অভিযোগ সংশ্লিষ্ট এলাকার ভূমি অফিসে পাঠানো হবে। সংশ্লিষ্ট অফিসার যদি ১৫ দিনের মধ্যে সমস্যার সমাধান না করেন তাহলে তাকে হলুদ মার্ক দেয়া হবে। আর ৩০ দিনের মধ্যে সমাধান না করলে তাকে লাল তালিকাভুক্ত করা হবে। একই সঙ্গে বিষয় নিষ্পত্তিতে দেরি হচ্ছে কেন এ বিষয়ে তলব করতে হবে।
তিনি বলেন, এসব কিছু মন্ত্রণালয় থেকে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। চাইলে আমি নিজে কিংবা সচিব যেকোনো সময় এ বিষয়গুলোর অবস্থা দেখতে পারবো। অভিযোগকারীর নাম, ঠিকানা বা পরিচয় কোনো অবস্থাতেই প্রকাশ করা হবে না।
তিনি আরও বলেন, এটি কোনো ইমার্জেন্সি সার্ভিস নয়, তাই কল করলে মোবাইল কোম্পানিগুলো প্রতি মিনিট যে চার্জ নেয় সেটি দিতে হবে। আর অফিস টাইম তথা সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত হট লাইন কার্যক্রম চলমান থাকবে।
ভূমি মন্ত্রণালয়ের ৩০জন এজেন্ট/অপারেটর (প্রাথমিকভাবে পাঁচজন এজেন্ট/অপারেটর) বিশিষ্ট কল সেন্টার স্থাপন ও চালু করার জন্য বাংলাদেশ টেলিফোন শিল্প সংস্থা সহায়তা দিচ্ছে।

মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের সদস্যরা দুর্ঘটনায় নিহতদের হাতের আঙুলের ছাপ নিয়ে তাদের পরিচয় শনাক্ত করেন।
নিহতদের মধ্যে সিলেটের যে ছয়জন রয়েছেন তারা হলেন- হবিগঞ্জের ভোল্লার ইয়াছিন (১২), চুনারুঘাটের তিরেরগাঁওয়ের সুজন আহমেদ (২৪), মৌলভীবাজারের জাহেদা খাতুন (৩০), হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ের আল-আমিন (৩০), হবিগঞ্জের আনোয়ারপুরের আলী মোহাম্মদ ইউসুফ (৩২), হবিগঞ্জের বানিচংয়ের আদিবা (২)।
বাকিরা হলেন, চাঁদপুরের হাজীগঞ্জের পশ্চিম রাবাজগাঁও মুজিবুল রহমান (৫৫), চাঁদপুরের উত্তর বালিয়ার ফারজানা (১৫), চাঁদপুরের কুসসুম বেগম (৩০) ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরের সোহামনি (৩)।
প্রসঙ্গত, সোমবার (১১ নভেম্বর) ভোর পৌনে ৩টার দিকে উপজেলার মন্দভাগ রেলওয়ে স্টেশনের ক্রসিংয়ে আন্তঃনগর উদয়ন এক্সপ্রেস ও তূর্ণা নিশীথার মধ্যে এই দুর্ঘটনা ঘটে। উদয়ন এক্সপ্রেস সিলেট থেকে চট্টগ্রাম ও তূর্ণা নিশীথা চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা অভিমুখে ছিল। মন্দভাগ রেল স্টেশনের কাছে ট্রেন দুটির মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। এতে দুটি ট্রেনেরই বেশ কয়েকটি করে বগি দুমড়ে মুচড়ে যায়। এতে ১৬জন নিহতের খবর পাওয়া গেছে এখন পর্যন্ত।
এতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি ও রেলওয়ে থেকে দু’টি পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল সোয়া ৮টার দিকে এসব তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন রেল সচিব মোহাম্মদ মোফাজ্জল হোসেন। তিনি নিহতদের প্রত্যেকের পরিবারকে ২৫ হাজার টাকা করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
এদিকে ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহতদের প্রত্যেকের পরিবারকে মোট এক লাখ ২৫ হাজার টাকা করে অর্থ সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন।