ট্রেন দূর্ঘটনায় বানিচংয়ের শিশু আবিবা নিহত!

: ব্রাহ্মনবাড়ীয়ায় ট্রেন দুর্ঘনায় হবিগঞ্জের বানিয়াচং সদরের টাম্বুলিটুলা মহল্লার সোহেল মিয়ার দুই বছর বয়সী মেয়ে আদিবা আক্তার নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। রেলওয়ে পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে পরিবারকে খবর দিলে পরিবারের লোকজন মরদেহ গ্রহণ করতে ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়েছেন।

উল্লেখ্য, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা স্টেশনে মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) ভোররাতে সিলেট থেকে চট্টগ্রামগামী উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেন এবং চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী তূর্ণা এক্সপ্রেস ট্রেনের সংঘর্ষে বানিচংয়ের দুই বছর বয়সী শিশু সহ অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন শতাধিক যাত্রী।

বড়লেখায় নবজাতক শিশুকে বাঁচাতে সাহায্যের আবেদন

মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার দক্ষিনভাগ ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের দোহালিয়া কুইয়ারিটিলা গ্রামের মৃতঃ রফিক আলির ১ম ছেলে মো: সাইফুল ইসলাম নামক এর ২য় কন্যা গত ১৬ অক্টোবর জন্ম গ্রহণ করে।

জন্মের পর পরিবারের সবাই নিশ্চিত হন যে নবজাতক কন্যা সন্তানটির
মল ত্যাগের কোন রাস্তা নেই।

সিলেটের উসমানি মেডিকেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে ডাক্তারেরা পরামর্শ দিয়েছেন নবজাতক শিশুটিকে বাঁচাতে হলে পর্যায়ক্রমে মোট চারটি অপারেশন করাতে হবে।

আর সেই অপারেশন করাতে হলে প্রায় ২ লক্ষাধিক টাকা লাগবে।

সাইফুল ইসলামের শেষ সম্বল হলো এক বাড়ি ছাড়া আর কিছু নেই তার কাছে ,প্রতি দিন রাজমিস্ত্রী কাজ করে পরিবার চলাতে অনেকটা কষ্টের মুখোমুখি হতে হয় তাকে।

অন্যদিকে নবজাতক শিশুটি যত সময় যাচ্ছে দিন দিন ততই দূর্বল হয়ে পড়ছে।

এখন কি করবেন এই সাইফুল ইসলাম……

এই শিশুটিকে নিয়ে কোথায় যাবে কি করবে কিছুই বুঝতে পারছেন না সে ।

নবজাতকের বাবা সাইফুল ইসলাম ও মা শায়না বেগম নবজাতক কন্যা সন্তাটিকে বাঁচাতে দেশ-বিদেশের সকলের কাছে সাহায্যের জন্য আবেদন জানিয়েছেন।

চলুন আমরা সকলে মিলে শিশুটিকে সামর্থ্যানুযায়ী সাহায্য করতে এগিয়ে আসি।
একটা কথা সব সময় মনে রাখবেন, আমরা মানুষ মানুষের জন্য।

বিকাশ নম্বার : ০১৭৪২৮২৩২০৩
নবজাতকের বাবা সাইফুল ইসলাম +8801744688266

বড়লেখা প্রবাসী ঐক্যপরিষদের দরিদ্র রোগীদের আর্থিক সহায়তা প্রদান।

বড়লেখায় দরিদ্র রোগীকে আর্থিক সহায়তা প্রদান

মৌলভী বাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার কয়েক প্রবাসী তরুণ দ্বারা প্রতিষ্ঠিত বড়লেখা প্রবাসী ঐক্য পরিষদ এর পক্ষ থেকে দরিদ্র শিশু রোগীর চিকিৎসায় আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

এ উপলক্ষে সোমবার দুপুরে বড়লেখা উপজেলা পরিষদের হলরুমে নারীশিক্ষা একাডেমি ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক ওলিউর রহমানের সভাপতিত্বে ও
নিরাপদ সড়ক চাই বড়লেখা উপজেলা শাখার সদস্য সচিব আইনুল ইসলামের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে নগদ অর্থ বিতরণ করেন বড়ল্রখা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ তাজ উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত রাখেন সাংবাদিক ও ব্যবসায়ী সুলতান আহমদ খলিল, ব্লাড ডোনেট ক্লাবের সভাপতি নুরুল ইসলাম বাবলু, ইনসাফ রক্তদান সংস্থার সহসভাপতি তোফায়েল আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মঞ্জুরুল করিম ইকবাল, শাহরিয়ার হোসেন তাওফিক, জুবেল আহমদ প্রমুখ
অনুষ্ঠান শেষে অসুস্থ শিশু রোগীর পিতার নিকট চিকিৎসা বাবত নগদ অর্থ তুলে দেন অতিথি বৃন্দ।

মৌলভী বাজারের বড়লেখায় দুই মাদকব্যবসায়ী আটক

মৌলভী বাজাল জেলার বড়লেখা উপজেলার বড়লেখা থানার সুযোগ্য অফিসার ইন-চার্জ জনাব ইয়াছিনুল হক মহোদয়ের সার্বিক নির্দেশনায় এস আই কৃষ্ণ মোহন নাথ এবং এস আই সুব্রত কুমার দাস এর নেতৃত্বে সমন ভাগ চা-বাগানস্থ ছনখলা টিলায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করিয়া আসামী সুজিত রিকমন এবং কাজল চাষাকে গ্রেফতার করা হয়। আসামী সুজিত রিকমনের হেফাজত হইতে চোলাই মদ তৈরীর উপকরণ ওয়াশ ৫০ লিটার এবং ৪৬ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়। আসামী কাজল চাষার হেফাজত হইতে ২৫ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীরা মাদক ব্যাবসায়ী এবং মাদকসেবীদের নিকট উক্ত চোলাই মদ বিক্রয় করিয়া থাকে। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স এর অংশ হিসেবে প্রতি দিন বড়লেখা থানা পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে যাচ্ছে। সুন্দর বড়লেখা গঠনে আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

গোলাপগঞ্জের আছিরগঞ্জ বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে বিনা প্রতিদন্ধিতায় প্রচার সম্পাদক খায়রুল ইসলাম

সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জ উপজেলাল বাদেপাশা ইউনিয়নের আছিরগঞ্জ বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রচার সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন ভাই ভাই ফার্নিচারের সত্তাধিকারী খাইরুল ইসলাম।
প্রচার সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আছিরগঞ্জ বাজার বণিক সমিতির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক ফারুক মিয়া ও সদস্য সচিব মো: মাহমুদুর রহমান।
খায়রুল ইসলাম প্রচার সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় আছিরগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

সুলতান মনসুরকে ‘বেইমান’ বললেন মিসবাহ সিরাজ

:: সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িত থাকার সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের সহসভাপতিও (ভিপি) হয়েছিলেন তিনি। তবে ওয়ান-ইলেভেনের সময় (সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার) শেখ হাসিনার বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে দলে সংস্কার চেয়ে সমালোচিত হন সুলতান মনসুর। এরপর থেকে আওয়ামী লীগে ব্রাত্য হয়ে পড়েন তিনি।

দীর্ঘদিন নিষ্ক্রিয় থাকার পর গণফোরামে যোগ দেন সুলতান মনসুর। এ দলের প্রার্থী হিসেবে গেল জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার-২ আসন থেকে নির্বাচন করে সংসদ সদস্য হন তিনি। পরবর্তীতে গণফোরামের দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ায় গণফোরাম থেকেও বহিষ্কৃত হন সুলতান মনসুর।

দলের এই সাবেক নেতাকে নিয়ে আওয়ামী লীগের নেতারা বিভিন্ন সময় কঠোর বক্তব্য রেখেছেন। এবার তাকে নিয়ে তোপ দাগালেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ।

গতকাল রবিবার (১০ নভেম্বর) ছিল মৌলভীবাজার কুলাউড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন। সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ।

নিজের বক্তব্যে মিসবাহ সিরাজ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনা সুলতান মনসুরকে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বানিয়েছিলেন, ডাকসুর ভিপি বানিয়েছিলেন। ছাত্রলীগের নেতৃত্বে ভার দিয়েছিলেন, এমপিও বানিয়েছিলেন। তবুও আওয়ামী লীগের সাথে বেইমানি করেছেন তিনি। নেত্রীর সাথে বেইমানি করেছেন। দলীয় নেতৃবৃন্দের বুকে ছুরি মেরে চলে গেছেন।’

স্থানীয় সাবেক সংসদ সদস্য প্রয়াত আব্দুল জব্বারকেও সুলতান মনসুর কষ্ট দিয়েছেন বলে মন্তব্য করেন মিসবাহ সিরাজ।

তিনি বলেন, ‘সুলতান মনসুর জব্বার ভাইকে কষ্ট দিয়েছেন। বেইমান মুনাফিকের স্থান আওয়ামী লীগে হতে পারে না।’

প্রসঙ্গত, সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন।

সৌদির ধরপাকড়ে গত ১০ মাসে দেশে ফিরতে হয়েছে ২১ হাজার বাংলাদেশিকে

সৌদি আরব থেকে গত ১০ মাসে ২০ হাজার ৬৯২ জন প্রবাসী বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন বলে জানিয়েছেন বিমানবন্দরের প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক।এ নিয়ে এ মাসের প্রথম পাঁচদিনেই মোট ৪২১ জন ফিরলেন। এরইমধ্যে ১ নভেম্বর ১০৪ জন, ২ নভেম্বর ৭৫ জন, ৩ নভেম্বর ৮৫ জন, ৪ নভেম্বর ৬১ জন ও গতকাল ৬ নভেম্বর ৯৬ জন ফিরেছেন।বুধবার (০৬ নভেম্বর) রাত ১১টা ২০ মিনিটে সৌদি এয়ারলাইন্সের এসভি ৮০৪ বিমানযোগে আরও ৯৬ জন দেশে ফিরেন।এর আগে গত ৫ অক্টোবর ১২০ জন, ২৭ অক্টোবর ১৬০ জন এবং ৩১ অক্টোবর ১৫৩ জন বাংলাদেশি কর্মী ফিরেছেন। এ পরিসংখ্যানে যুক্ত হলো নভেম্বরের আরও ৪২১ জন।গতকাল ফেরত আসাদেরও প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের সহযোগিতায় ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম থেকে খাবার-পানিসহ নিরাপদে বাড়ি পৌঁছানোর জন্য জরুরি সহায়তা প্রদান করা হয়। যারা ফিরেছেন, তাদের মধ্যে অনেকের গায়ে ছিল কোম্পানির পোশাক, কারও পায়ে ছিল না স্যান্ডেলও। অনেকে পরনোর পোশাক ছাড় সঙ্গে করে আর কোনো কাপড় আনতে পারেননি।ব্র্যাক অভিবাসন কর্মসূচির প্রধান শরিফুল হাসান জানান, চলতি বছর এখন পর্যন্ত প্রায় ২১ হাজার বাংলাদেশিকে সৌদি আরব থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এ বছরের কোন মাসে কত কর্মী ফিরেছে সেই তথ্য বিশ্লেষণ করে আমরা দেখেছি গত দুই মাস ধরে ধরপাকড়ের তীব্রতা বেড়েছে।

ভয়ংকর রোগ জিবিএস, কী করবেন জেনে নিন।

জিবিএস একটি বিরল নিউরোলজিক্যাল রোগ যা শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ভুলভাবে তার পেরিফেরাল স্নায়ুতন্ত্রের অংশ, মস্তিষ্ক এবং মেরুদণ্ডের বাইরে অবস্থিত স্নায়ুর নানা অংশকে আক্রমণ করে।

জিবিএস(Guillain-Barre Syndrome)একদিকে যেমন সংক্ষিপ্ত/সংক্ষিপ্ত দুর্বলতাসহ প্রায় খুব খারাপ পক্ষাঘাতের মত অবস্থা তৈরি করতে পারে, যাতে ব্যক্তি স্বাধীনভাবে শ্বাস নিতে পারে ন

সৌভাগ্যবশত, বেশিরভাগ সময়েই আক্রান্ত রোগী, জিবিএসের সবচেয়ে গুরুতর অবস্থা থেকেও পরিত্রান পান

পরিত্রানের পরেও অনেকের মাঝে দুর্বলতা থেকে যায় দীর্ঘসময়।

Guillain-Barre সিন্ড্রোম যে কারও ক্ষেত্রেই হতে পারে। সুনির্দিষ্ট কোনও বয়স নেই যে শুধু প্রাপ্ত বয়স্কদেরই হবে বা ছোটদের হবে না তা নয় তবে প্রাপ্তবয়স্ক ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে এর হার বেশি।

পরিসংখ্যানে দেখা গিয়েছে, জিবিএস প্রতি বছর ১ লাখ মানুষের মধ্যে একজনের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। এটি দেশের বাইরের পরিসংখ্যান, আমাদের দেশের সঠিক তথ্য এখন পর্যন্ত নেই।

যে কারণে এ রোগের উৎপত্তি

কী কারনে জিবিএস হয় তা সঠিকভাবে জানা যায়নি এখনও বলতে গেলে। গবেষকরা জানেন না সঠিকভাবে জানেন না কেন এটি কিছু লোককে আঘাত করে এবং অন্যদের নয়। এটি সংক্রামক বা উত্তরাধিকারী হয় না।

গবেষকরা বের করেছেন যে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিটির ইমিউন সিস্টেম শরীরের ওপর আক্রমণ শুরু করে। তারা ধারণ করেন মনপ্রতিরক্ষা আক্রমণ সংক্রমণের সাথে লড়াই করার জন্য শুরু করা হয় এবং ব্যাকটেরিয়া এবং ভাইরাস সংক্রামিত কিছু রাসায়নিক মানব শরীরের নার্ভ কোষগুলির অনুরূপ, যা পরিণামে আক্রমণের লক্ষ্যও হতে পারে।

যেহেতু শরীরের নিজের ইমিউন সিস্টেম ক্ষতি করে, তাই জিবিএসকে অটোইমিউন রোগ বলা হয়।

সাধারণত ইমিউন সিস্টেম সংক্রামক, ব্যাকটেরিয়া এবং ভাইরাস আক্রমণ থেকে আমাদের রক্ষা করার জন্য অ্যান্টিবডি (একটি অনাক্রম্য প্রতিক্রিয়াতে উত্পাদিত অণু) তৈরি করে। জিবিএসে প্রতিরক্ষা সিস্টেম ভুলভাবে সুস্থ স্নায়ু আক্রমণ।

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে শ্বাসযন্ত্র বা পাকস্থলী ও খাদ্যনালীতে ভাইরাল সংক্রমণের পরে সাধারণত কয়েক দিন বা সপ্তাহ শুরু হয়।

মাঝে মাঝে অপারেশন করার কারণেও এটি হবার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। বিরল ক্ষেত্রে ভ্যাকসিনও জিবিএস এর ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলতে পারে।

সম্প্রতি বিশ্বব্যাপী কিছু দেশ জিকা ভাইরাস সংক্রমণের পর জিবিএসের বৃদ্ধি ঘটছে।

জিবিএস রোগের লক্ষণ

লক্ষণ হিসাবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে হাত বা পায়ের অনুভূতি বা সঞ্চালন ক্ষমতা হ্রাস পায়। শিশু হাঁটা অসুবিধা সঙ্গে লক্ষণগুলি দেখাবে এবং হাঁটতে অস্বীকার করতে পারে। শরীরের উভয় পাশে দুর্বলতা একটি প্রধান উপসর্গ।

দুর্বলতায় প্রথমে সিঁড়ি আরোহণ বা হাঁটা অসুবিধা হিসাবে প্রদর্শিত হতে পারে। লক্ষণগুলি প্রায়ই অস্ত্র, শ্বাস পেশী এবং এমনকি মুখকে প্রভাবিত করে, যা আরও ব্যাপকভাবে স্নায়ুকে ক্ষতি করে।

উপসর্গগুলি আবির্ভূত হওয়ার প্রথম দুই সপ্তাহের মধ্যে অধিকাংশ লোক দুর্বলতার সর্বাধিক পর্যায়ে পৌছায়; তৃতীয় সপ্তাহে ৯০% পর্যন্ত ক্ষতির লক্ষণ দেখা যায়।

পেশী দুর্বলতা ছাড়াও, উপসর্গগুলি অন্তর্ভুক্ত হতে পারে:

চোখের পেশী এবং দেখতে কষ্ট হওয়া

কথা বলা বা চিবানোর সমস্যা হওয়া

হাত বা পায়ে অনুভূতি কমে যাওয়া

ব্যথা যে বিশেষ করে রাতে, গুরুতর হতে পারে

হার্ট বীট বা রক্তচাপের অস্বাভাবিকতা

প্রস্রাব নিয়ন্ত্রণের সমস্যা হওয়া।

এই উপসর্গগুলি দিন অতিবাহিত হওয়ার সঙ্গে তীব্রভাবে বাড়তে পারে যতক্ষণ না নির্দিষ্ট পেশীগুলি কখনই ব্যবহার করা যায় না এবং যখন গুরুতর হয়, তখন সেটি প্রায় সম্পূর্ণরূপে পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়। এই ক্ষেত্রে, ব্যাধিটি হলো প্রাণঘাতী।

জিবিএস সাধারনত চার ধরনের হতে পারে- ১। Acute inflammatory demyelinating polyneuropathy (AIDP), ২। Miller Fisher syndrome (MFS) ৩। Acute motor axonal neuropathy (AMAN) এবং Acute motor-sensory axonal neuropathy (AMSAN) হয়। আমাদের দেশে প্রথমটির প্রাদুর্ভাবই বেশি দেখা যায়।

জিবিএসের প্রাথমিক লক্ষণ এবং উপসর্গগুলি বিভিন্ন রকম এবং বিভিন্ন উপসর্গগুলি রয়েছে। অতএব, ডাক্তারদের প্রাথমিক পর্যায়ে জিবিএস নির্ণয় করা কঠিন হতে পারে।

রোগের চিকিৎসা কোথায় কীভাবে করা হয়?

জিবিএসের জন্য কোন পরিচিত প্রতিকার নেই। যাইহোক, কিছু থেরাপি রোগ অসুস্থতা কমিয়ে এবং পুনরুদ্ধারের সময় হ্রাস করতে পারে।

রোগের জটিলতা মোকাবেলার বিভিন্ন উপায় রয়েছে।

ইমিউনোগ্লবিউলিন ইঞ্জেকশান, প্লাজমা একচেঞ্জের মাধ্যমে রোগের জটিলতা কমানো বা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হয়ে বেশিরভাগ সময়ে। আমাদের দেশে দুইটিই চালু রয়েছে। এর মাঝে ইমিউনোগ্লবিউলিন ইঞ্জেকশান রোগীর ওজন অনুযায়ী দেওয়া লাগে বলে এর খরচ অনেকের জন্যই ভালোই ব্যায়বহুল।

প্লাজমা এক্সচেঞ্জের চিকিৎসায় জটিলতা হবার সম্ভাবনা থাকলেও আমাদের দেশের অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে এটি বেশিরভাগের জন্যই নাগালের মাঝের চিকিৎসা। উপরন্তু সরকারিভাবে এই সেবা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে ঢাকার বেশ কয়েকটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে।

চিকিৎসার একটি বড় অংশ হোল ফিজিওথেরাপি। সেটি শ্বাসযন্ত্রের ক্ষেত্রেও যেমন কার্যকর তেমনি শরীরের অন্য অংশের মাংসপেশির জন্যও কার্যকর।আমাদের সবার জানা থাকা উচিত এটি কোনও সংক্রামক রোগ নয়, সচেতনতা থাকলে এই রোগের ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ করা খুবই সহজ।

সুত্র :- লেখক: ডা. আশরাফুল হক, মেডিকেল অফিসার, এমআইএস, ডিজিএইচএস

অপারেশনের পর দৃষ্টিশক্তি ফেরেনি, বড়লেখায় চক্ষু চিকিৎসককে লিগ্যাল নোটিশ

অপারেশনের দেড় মাস পরও মায়ের চোখের দৃষ্টি না ফেরায় চক্ষু চিকিৎসককে লিগ্যাল নোটিশ দিয়েছেন এক আইনজীবী। বড়লেখায় হামিদা খাতুন চৌধুরী চক্ষু হাসপাতাল ও ফ্যাকো সেন্টার নামের একটি প্রতিষ্ঠানে অপারেশন হয় ওই আইনজীবীর মায়ের। গত ১৬ অক্টোবর ডা. মিফতাহুল হোসেন চৌধুরীকে এ নোটিশ পাঠান মৌলভীবাজার জজ কোর্টের আইনজীবী জিল্লুর রহমান।

লিগ্যাল নোটিশ প্রাপ্তির ১০ দিনের মধ্যে ওই চিকিৎসককে হাসপাতাল পরিচালনার যাবতীয় বৈধ কাগজপত্র প্রদর্শনসহ জবাব দিতে বলা হয়েছে। অন্যতায় আইনী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা নোটিশে উল্লেখ করা হয়।

নোটিশে বলা হয়, গত ২২ আগস্ট আইনজীবী জিল্লুর রহমান তার মাকে নিয়ে হামিদা খাতুন চৌধুরী চক্ষু হাসপাতাল ও ফ্যাকো সেন্টার নামের ওই প্রতিষ্ঠানে যান। সেখানে সেবিকা পরিচয়দানকারী এক নারী ও প্রতিষ্ঠানের পরিচালক বদরুল হোসেন তার মায়ের চোখ পরীক্ষা করেন। চোখ দেখে তারা ছানি অপারেশনের কথা বলেন। কিন্তু এরা কেউই চক্ষু বিশেষজ্ঞ বা প্যাথলজিস্ট নন। চিকিৎসকও নিজে চোখ না দেখে একই কথা বলেন। পরে অপারেশনের মূল্যও নির্ধারণ করা হয়। এরপর রোগীকে ভেতরের একটি কক্ষে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে অপারেশন শেষে রোগীকে নিয়ে চিকিৎসক বের হয়ে বলেন, দুই একদিনের মধ্যে দৃষ্টি শক্তি ফিরে আসবে। আইনজীবী তখন টাকা পরিশোধ করেন। কিন্তু চার থেকে পাঁচ দিন অতিবাহিত হলেও দৃষ্টি শক্তি না ফেরায় ওই আইনজীবী তার মাকে নিয়ে হাসপাতালে যান।কয়েক দফায় হাসপাতালে গেলে তাকে জানানো হয়, আরো একমাস লাগবে দৃষ্টিশক্তি ফিরতে। চিকিৎসক তখন বলেন, ওষুধ খাওয়ান। ওষুধ পরিবর্তন করে দিচ্ছি। সব ঠিক হয়ে যাবে।

দেড় মাস অপেক্ষার পরও রোগীর দৃষ্টি শক্তির উন্নতি না হওয়ায় আইনজীজীর সন্দেহ হয়। তিনি খোঁজ নেন হাসপাতালের সাথে সংশ্লিষ্টদের বিষয়ে। তখন জানতে পারেন সেবিকা পরিচয়দানকারী বা যারা তার মায়ের চোখ পরীক্ষা করেছেন কারোই এই বিষয়ে সনদ নেই। আবার হাসপাতাল পরিচালনারও বৈধ কোনো কাগজপত্র নেই। গত ১১ অক্টোবর আইনজীবী পুণরায় ওই প্রতিষ্ঠানে গিয়ে চিকিৎসকের সাথে কথা বললে চিকিৎসক বিভ্রান্তিমূলক কথা বলেন। একপর্যায়ে তিনি স্বীকার করেন, ছানির সমস্যা ছিল না, রেটিনার সমস্যা ছিল। এ অবস্থায় চিকিৎসককে নিয়েও আইনজীবী জিল্লুর রহমানের সন্দেহ হলে তিনি তার বিএমডিসির রেজিষ্ট্রেশন নম্বরটি জানতে চান। চিকিৎসক তা না দেখিয়ে উল্টো উত্তেজিত হয়ে কথা বলেন। এরপর আইনজীবী জিল্লুর রহমান হাসপাতালসহ এর সাথে সংশ্লিষ্টদের বৈধ কাগজপত্র প্রদর্শনের জন্য আইনী নোটিশ পাঠান।

নোটিশ প্রাপ্তির কথা নিশ্চিত করে ডা. মিফতাহুল হোসেন চৌধুরী (৩০ অক্টোবর) বিকেলে বলেন, ‘আইনজীবীর নোটিশটি দেরিতে পেয়েছি। একজন ব্যারিস্টারের মাধ্যমে এর জবাব পাঠাচ্ছি। রোগীর চিকিৎসা সঠিক হয়েছে। এতে কোনো গাফিলতি ছিল না।’

নোটিশ প্রদানকারী আইনজীবী জিল্লুর রহমান (১ নভেম্বর) বিকেলে বলেন, ‘মাকে নিয়ে যাওয়ার পর যারা পরীক্ষা করেছেন তারা সকলেই স্থানীয় চশমা দোকানী। কেউই চিকিৎসক বা প্যাথলজিস্ট নন। চিকিৎসক ও তাদের কথায় মুগ্ধ হয়ে মায়ের অপারেশন করাই। কিন্তু নির্ধারিত সময় গেলেও দৃষ্টি শক্তি ফিরছে না দেখে বারবার চিকিৎসকের কাছে যাই। তিনি একেক সময় একেক কথা বলেন। দেড়মাস পার হলেও মায়ের চোখের দৃষ্টি শক্তি না ফেরায় আমি চিন্তায় পড়ে যাই। তাদের চিকিৎসা নিয়ে আমার সন্দেহ হয়। এরপর বিভিন্ন মাধ্যমে খোঁজ নিয়ে দেখি নিবন্ধন ছাড়াই প্রতিষ্ঠানটি দুই বছর থেকে পরিচালিত হচ্ছে। এর সাথে সংশ্লিষ্টদের অনেকেরই সনদ নেই। এই বিষয়ে চিকিৎসকে আইনী নোটিশ দিয়েছি। কিন্তু নোটিশের জবাব দেওয়ার সময় অতিবাহিত হলেও তিনি কোনো জবাব দেননি

গোলাপগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভা অনুষ্টিত-একদিন এগোলো সম্মেলন

সিলেটের গোলাপগঞ্জে উপজেলা আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভা অনুষ্টিত হয়েছে। শনিবার দুপুরে উপজেলা কনফারেন্স হলে সভা অনুষ্ঠিত হয়। বর্ধিত সভায় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট ইকবাল আহমদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক রফিক আহমদের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এমপি।

প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, আওয়ামী লীগের ইতিহাস সংগ্রাম সাফল্য ও ঐতিহ্যের ইতিহাস। ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ সহ দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকল আন্দোলনে আওয়ামীলীগের ভূমিকা স্মরণীয় হয়ে হয়ে থাকবে। বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে এখনো আওয়ামীলীগ সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

নুরুল ইসলাম নাহিদ আরো বলেন, আ’লীগের শক্তি হচ্ছে জনগণ, আর প্রাণ হচ্ছে কর্মীরা। এই প্রাণ যখন জেগে উঠে জনগণ ও জেগে ওঠে। এ সম্মেলনের মাধ্যমে আমাদের সবাইকে জেগে উঠতে হবে। সংগঠনের স্বার্থে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন সিলেট জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি অ্যাডভোকেট লুৎফুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য শফিকুর রহমান চৌধুরী, কানাডা আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সরওয়ার হোসেন, সিলেট জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক অধ্যক্ষ সুজাত আলী রফিক, সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন ইসলাম কামাল, পরিবেশ ও শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক কবির আহমদ।

বক্তব্য রাখেন পৌর আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মিসবাহ, সদর ইউনিয়ন আ’লীগ সভাপতি আব্দুস সামাদ জিলু, ঢাকাদক্ষিণ ইউনিয়ন আ’লীগ সভাপতি আব্দুল মজিদ রওশন, শরীফগঞ্জ ইউনিয়ন আ’লীগ সভাপতি লুৎফুর রহমান লুতি, ভাদেশ্বর ইউনিয়ন আ’লীগ সভাপতি লুৎফুর রহমান মাষ্টার, লক্ষণাবন্দ ইউনিয়ন আ’লীগ সভাপতি নিজাম উদ্দিন, বাদেপাশা ইউনিয়ন আ’লীগ সাধারণ সম্পাদক মস্তাক আহমদ, বাঘা ইউনিয়ন আ’লীগ সাধারণ সম্পাদক ইকবাল আহমদ ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আ’লীগের দপ্তর সম্পাদক আকবর আলী ফখর, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক শরফ উদ্দিন শরীফ, ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক আবুল লেইছ, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক সলমান আহমদ চৌধুরী, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক মিজানুর রহমান চৌধুরী রিংকু, উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা সাহাব উদ্দিন আহমদ, উপজেলা সেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি রুহিন আহমদ খান পৌর মেয়র আমিনুল ইসলাম রাবেল, উপজেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি আব্দুর রহমান, যুগ্ম সম্পাদক লুৎফুর রহমান, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মনসুর আহমদ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাজিরা বেগম শিলা, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি খায়রুল হক, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক রুহেল, এমএ ওয়াদুদ এমরুল, উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক রুহেল আহমদ, আ’লীগ নেতা রুমেল সিরাজ প্রমুখ।

সভায় গোলাপগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সম্মেলনের পূর্ব নির্ধারিত তারিখ ১৪ই নভেম্বরের পরিবর্তে ১৩ নভেম্বর নির্ধারণ করা হয়।

Design a site like this with WordPress.com
Get started