রোহিঙ্গা যুবকদের জব্দ পাসপোর্টের ছবি।
চট্টগ্রাম: তুরস্কের ভিসার আবেদন করতে ঢাকা যাওয়ার সময় নগরের আকবরশাহ থেকে বাংলাদেশি পাসপোর্টসহ তিন রোহিঙ্গা যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাতে নগরের সিডিএ এক নম্বর রোড মীর সিএনজি ফিলিং স্টেশনের সামনে থেকে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে।
আকবরশাহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন মিয়ানামারের মংডু জেলার দুমবাই এলাকার আলী আহমদের ছেলে মো. ইউসুফ (২৩) ও মো. মুসা (২০) এবং মংডু জেলা চালিপাড়া এলাকার মো. জমির হোসেনের ছেলে মো. আজিজ (২১)। তিনজনই কক্সবাজার উখিয়া থাইংখালী হাকিমপাড়া ক্যাম্পে বসবাস করছিলেন।
ওসি মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী বলেন, সিডিএ এক নম্বর রোডে সন্দেহজনক গতিবিধি দেখে তিন যুবককে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করে। এসময় তাদের কথাবার্তা সন্দেহ হয়। পরে পুলিশ ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের থানায় নিয়ে আসে। জিজ্ঞাসাবাদেতারা তিনজনই স্বীকার করেন, মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে এসেছেন এবং দালালের মাধ্যমে পাসপোর্ট করিয়েছেন।
‘এক দালালের মাধ্যমে তারা নোয়াখালীর ঠিকানা দিয়ে পাসপোর্ট করিয়েছেন। এরপর তারা তুরস্কের ভিসা আবেদনের জন্য ঢাকায় যাচ্ছিলেন।’
ওসি মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী বলেন, গ্রেফতারকৃতের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। শুক্রবার (৬ সেপ্টেম্বর) তাদের আদালতে পাঠানো হয়।




বড়লেখা:মৌলভী বাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার রতুলী বাজার থেকে জনৈক হাসান মিয়ার মোবাইল ফোনটি হারিয়ে যায়। অদ্য রাতে হাসান মিয়া বড়লেখা থানায় অভিযোগ করলে তাৎক্ষণিক অফিসার ইন-চার্জ জনাব মো ইয়াছিনুল হক মহোদয় মোবাইল উদ্ধারের জন্য দায়িত্ব দেন এস আই মিন্টু চৌধুরী এবং এস আই সুব্রত কুমার দাসকে।বড়লেখা থানার অফিসার ইন-চার্জ জনাব ইয়াছিনুল হক মহোদয়ে সার্বিক নির্দেশনায় এস আই মিন্টু চৌধুরী এবং এস আই সুব্রত কুমার দাসের যৌথ প্রচেষ্টায় এক ঘন্টার মধ্যে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ চেক করে স্থানীয়দের সহায়তায় চোর শনাক্ত করে মোবাইল ফোনটি গাংকুল সাকিনের জসীম উদ্দিনের হেফাজত হইতে উদ্ধার করা হয়।চুরি করার আগে জসীম ঘুণাক্ষরেও ভাবতে পারেনি তার সমস্থ কার্যকলাপ রেকর্ড হচ্ছে রতুলী বাজারে সদ্য স্থাপিত শক্তিশালী সিসি ক্যামেরায়। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ যাচাই বাছাই করে স্থানীয়দের সহায়তায় চোরকে শনাক্ত করা হয়। সিসি ক্যামেরার বদৌলতে চুরি যাওয়া মোবাইল ফোনটি দ্রুততম সময়ের মধ্যে উদ্ধার করা সম্ভব হয়।আশাকরি রতুলী বাজারে কেউ অপরাধ করে এখন আর পার পাবে না। রতুলী বাজারে কেউ যদি কোন ধরণের অপরাধ যেমন চুরি, ছিনতাই, মাদক, ইভটিজিং ইত্যাদিতে লিপ্ত হয় তাহলে জসীমের মত তাদেরকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে গ্রেফতারের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

ধন্যবাদ জানাই স্থানীয়দেকে যাদের প্রচেষ্টায় সিসি ক্যামেরাগুলো স্থাপিত হয়েছে।





