তুরস্কের ভিসা নিতে যাওয়ার সময় ৩ রোহিঙ্গা গ্রেফতার

রোহিঙ্গা যুবকদের জব্দ পাসপোর্টের ছবি।

চট্টগ্রাম: তুরস্কের ভিসার আবেদন করতে ঢাকা যাওয়ার সময় নগরের আকবরশাহ থেকে বাংলাদেশি পাসপোর্টসহ তিন রোহিঙ্গা যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাতে নগরের সিডিএ এক নম্বর রোড মীর সিএনজি ফিলিং স্টেশনের সামনে থেকে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে।

আকবরশাহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন মিয়ানামারের মংডু জেলার দুমবাই এলাকার আলী আহমদের ছেলে মো. ইউসুফ (২৩) ও মো. মুসা (২০) এবং মংডু জেলা চালিপাড়া এলাকার মো. জমির হোসেনের ছেলে মো. আজিজ (২১)। তিনজনই কক্সবাজার উখিয়া থাইংখালী হাকিমপাড়া ক্যাম্পে বসবাস করছিলেন।

ওসি মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী বলেন, সিডিএ এক নম্বর রোডে সন্দেহজনক গতিবিধি দেখে তিন যুবককে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করে। এসময় তাদের কথাবার্তা সন্দেহ হয়। পরে পুলিশ ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের থানায় নিয়ে আসে। জিজ্ঞাসাবাদেতারা তিনজনই স্বীকার করেন, মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে এসেছেন এবং দালালের মাধ্যমে পাসপোর্ট করিয়েছেন।

‘এক দালালের মাধ্যমে তারা নোয়াখালীর ঠিকানা দিয়ে পাসপোর্ট করিয়েছেন। এরপর তারা তুরস্কের ভিসা আবেদনের জন্য ঢাকায় যাচ্ছিলেন।’

ওসি মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী বলেন, গ্রেফতারকৃতের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। শুক্রবার (৬ সেপ্টেম্বর) তাদের আদালতে পাঠানো হয়।

জলবায়ূ পরিবর্তনে সৃষ্ট সমস্যা বৃক্ষ দিয়ে মোকাবেলা করতে হবে:জুড়িতে পরিবেশমন্ত্রী

জুড়ী :: মৌলভী বাজারে জুড়িতে পরিবেশ, বন ও জলবায়ূ পরিবর্তনমন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন এমপি বলেছেন, জলবায়ূ পরিবর্তনের ফলে সারাবিশ্বে সৃষ্ট সমস্যা বৃক্ষ দিয়েই মোকাবেলা করতে হব। স্কাউটরা সারা বিশ্বে সমাজ উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখার পাশাপাশি একটি শৃঙ্খলিত জাতি গঠনে অবদান রাখছে। দেশ ও জাতির দুর্যোগময় মূহুর্তে নিজেদের জীবনবাজী রেখে স্কাউটরা ঝাঁপিয়ে পড়ে। স্কাউটের মধ্যমে যে প্রতিভা গড়ে উঠছে তা এগিয়ে নিতে হবে। বাংলাদেশে স্কাউট আন্দোলন এগিয়ে নিতে প্রধানমন্ত্রী ৩৫০ কোটি টাকা বরাদ্ধ দিয়েছেন। প্রয়োজনে আরও দিবেন। দেশে ২১লক্ষ স্কাউট তৈরি করা হবে।

তিনি বলেন, জুড়ীতে স্কাউটরা দুই হাজার বৃক্ষ চারা রোপন করে আমার মন্ত্রণালয়ের কাজের অংশীদার হওয়ায় তাদের কাছে কৃতজ্ঞ। আমরা আগামী বছর সারাদেশে এক কোটি বৃক্ষ চারা রোপন করব। এ কাজেও স্কাউটরা অংশ নিবে। প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য ২০২১ সালে মধ্যম আয়ের দেশ ও ২০৪১ সালে উন্নত দেশ গড়ার কাজে স্কাউটরা ভূমিকা রাখছে।

তিনি বুধবার দুপুরে মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাঙ্গনে বাংলাদেশ স্কাউটস জুড়ী উপজেলা আয়োজিত একদিনের সমাজ উন্নয়ন ক্যাম্প ও বৃক্ষ রোপন কমসূচীতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন।

উপজেলা স্কাউটস সভাপতি ও ইউএনও অসীম চন্দ্র বনিকের সভাপতিত্বে এবং মাহবুবুল ইসলাম কাজল ও মামুনুর রশীদ সাজুর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন- মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক ও জেলা স্কাউটসের সভাপতি নাজিয়া শিরিন, মৌলভীবাজার পুলিশ সুপার ফারুক আহমদ বি.পি.এম (বার), মৌলভীবাজার সিভিল সার্জন শাহজাহান কবির চৌধুরী, বাংলাদেশ স্কাউটস জাতীয় কমিশনার কাজী নাজমুল হক নাজু, বাংলাদেশ স্কাউটস, সিলেট অঞ্চলের সম্পাদক মুহিউল ইসলাম মুমিত, মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা স্কাউটসের সহ-সভাপতি মিছবাউর রহমান, সম্পাদক আব্দুল ওয়াহিদ, ভারপ্রাপ্ত উপজেলা চেয়ারম্যান রনজিতা শর্মা, উপজেলা আওয়ামী লীগের আহবায়ক বদরুল হোসেন, যুগ্ম আহবায়ক শফিক আহমদ, মাসুক আহমদ।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন জুড়ী উপজেলা স্কাউটস কমিশনার ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান রিংকু রঞ্জন দাস।

বাংলাদেশ স্কাউটস, সিলেট অঞ্চলের ট্রেজারার শ.ব.ম দানিয়ালের সার্বিক তত্বাবধানে ব্যতিক্রমধর্মী এ অনুষ্টানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাঙ্গনে প্রধান অতিথি উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্টানের দুই হাজার কাব, স্কাউট ও রোবারদের সাথে নিয়ে দুই হাজার বৃক্ষ চারা রোপন করেন, বিভিন্ন প্রতিষ্টানে ১২টি ড্রাম সেট বিতরণ করেন এবং জুড়ী উপজেলা স্কাউটসকে এক লক্ষ টাকা অনুদান ঘোষণা করেন।

উক্ত অনুষ্টানে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্টানের স্কাউট সদস্য ও স্কাউটস ইউনিট লিডাররা সাংস্কৃতিক অনুষ্টান পরিবেশন করেন।

প্রেগনেন্সী স্ট্রিপে দেখা যাবে সন্তানের বাবার ছবি!

‘পাগলি টা মা হয়েছে বাবা হয় নি কেউ?’ রাস্তায় নবজাতক পড়ে দেখলেই এসব স্ট্যাটাসে সয়লাব হয়ে যায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুক। তখন আবেগখেকো বাঙালির আবেগের মাত্রা কয়েকগুন বেড়ে যায়। সবাই ছি ছি করতে থাকে নবজাতক পিতার উপর। খবর যখন টেলিভিশন আর সংবাদ মাধ্যমে ঝড় তুলে তখন শি’শুর পিতা মাতার খোজ খবর নেওয়ার জন্যে মানুষ হুমড়ি খেয়ে পড়ে।

অনেক পিতলা ঘুঘু (প্রেমিক) এসব কাজ করে প্রেমিকাকে ছেড়ে দেয়। ফলে প্রেমিকাকে পড়তে হয় বাজে অবস্থায়। অনেক সময় এসব পিতলা ঘুঘুরা নাক মুখ মুছে অস্বীকার করে। সামাজিক চা’পের দায়ে প্রেমিকাও চেপে যায় প্রমানের অভাবে তারা কিছু করতে পারে না। নিজের ভবি’ষ্যৎ এর কথা ভেবে নবজাতক কে হ’ত্যা করতে দ্বিধাবোধ করে না মা।

ভ্রুন হ’ত্যা পৃথিবীর জঘন্যতম হ’ত্যা হলেও বর্তমান বিশ্ব আকারে ইঙ্গিতে এটিকে বৈধতা দিয়ে যাচ্ছে। লিভ টুগেদার সংস্কৃতি ক্রমশ এটিকে আরো সহ’জ করে তুলেছে। তাই ভ্রুনহ’ত্যা ঠেকাতে শীঘ্রই প্রেগনেন্সী টেস্টে যুক্ত হতে যাচ্ছে আগত সন্তানের বাবার ছবি। তবে যুক্তরাষ্ট্রের একদল বিজ্ঞানীরা এমন টাই জানিয়েছেন গত সোমবার।

প্রেগনেন্সী টেস্ট পজিটিভ হলে সাথে সাথে স্ট্রিপে ভেসে উঠবে বাবার ছবি। এতে কে আসল বাবা এটি খুব সহ’জে ই শনাক্ত করা যাবে বলে জানান বিজ্ঞানীরা। তাই কেউ আর অস্বীকার করতে পারবে না। ২০২০ সালের মধ্যে এই স্ট্রিপ বাজারে ছাড়া হবে বলে আশ্বা’স দেন মা’র্কিন বিজ্ঞানীরা।

বড়লেখায় ওসির দক্ষতাপূর্ণ কৌশলে মোবাইল চুর আটক। এক ঘন্টায় উদ্ধার মোবাইল

বড়লেখা:মৌলভী বাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার রতুলী বাজার থেকে জনৈক হাসান মিয়ার মোবাইল ফোনটি হারিয়ে যায়। অদ্য রাতে হাসান মিয়া বড়লেখা থানায় অভিযোগ করলে তাৎক্ষণিক অফিসার ইন-চার্জ জনাব মো ইয়াছিনুল হক মহোদয় মোবাইল উদ্ধারের জন্য দায়িত্ব দেন এস আই মিন্টু চৌধুরী এবং এস আই সুব্রত কুমার দাসকে।বড়লেখা থানার অফিসার ইন-চার্জ জনাব ইয়াছিনুল হক মহোদয়ে সার্বিক নির্দেশনায় এস আই মিন্টু চৌধুরী এবং এস আই সুব্রত কুমার দাসের যৌথ প্রচেষ্টায় এক ঘন্টার মধ্যে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ চেক করে স্থানীয়দের সহায়তায় চোর শনাক্ত করে মোবাইল ফোনটি গাংকুল সাকিনের জসীম উদ্দিনের হেফাজত হইতে উদ্ধার করা হয়।চুরি করার আগে জসীম ঘুণাক্ষরেও ভাবতে পারেনি তার সমস্থ কার্যকলাপ রেকর্ড হচ্ছে রতুলী বাজারে সদ্য স্থাপিত শক্তিশালী সিসি ক্যামেরায়। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ যাচাই বাছাই করে স্থানীয়দের সহায়তায় চোরকে শনাক্ত করা হয়। সিসি ক্যামেরার বদৌলতে চুরি যাওয়া মোবাইল ফোনটি দ্রুততম সময়ের মধ্যে উদ্ধার করা সম্ভব হয়।আশাকরি রতুলী বাজারে কেউ অপরাধ করে এখন আর পার পাবে না। রতুলী বাজারে কেউ যদি কোন ধরণের অপরাধ যেমন চুরি, ছিনতাই, মাদক, ইভটিজিং ইত্যাদিতে লিপ্ত হয় তাহলে জসীমের মত তাদেরকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে গ্রেফতারের আওতায় নিয়ে আসা হবে।ধন্যবাদ জানাই স্থানীয়দেকে যাদের প্রচেষ্টায় সিসি ক্যামেরাগুলো স্থাপিত হয়েছে।

দেশে বনভূমির পরিমান বৃদ্ধির কাজ চলছে -পরিবেশমন্ত্রী শাহাব উদ্দিন

:: মানুষের স্বাভাবিক পরিবেশে জীবন যাপনের জন্য একটি দেশের মোট ভুমির কমপক্ষে ২৫ ভাগ বনভুমি থাকা অত্যাবশ্যক। কিন্তু প্রকৃতির ওপর মানুষের নানা অবিচারের কারণে আমাদের দেশের বনাঞ্চলের পরিমান মাত্র ১৬ ভাগে নেমে আসে। এতে নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগের মূখোমুখি হতে হচ্ছে মানুষকে। এ সরকার দেশের ২৫ ভাগ ভুমিকে বনাঞ্চলের আওতায় নিয়ে আসতে চায়। সে লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। সমুদ্রপিষ্টে অনেক চরাঞ্চল জেগে উঠেছে। সেখানে গাছ লাগিয়ে পরিবেশের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। অচিরেই দেশের বনভুমির পরিমান ২৫ ভাগে উন্নীত করা হবে। পরিবেশ দুষণের সবচেয়ে ক্ষতিকর বস্তু হচ্ছে পলিথিন। এ পলিথিনের ব্যবহার অবশ্যই বন্ধ করতে হবে।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ূ পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী শাহাব উদ্দিন এমপি বৃহস্পতিবার দুপুরে মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর আয়োজিত ৩ দিন ব্যাপি ফলদ বৃক্ষমেলার উদ্বোধনের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শামীম আল ইমরানের সভাপতিত্বে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান তাজ উদ্দিন ও কৃষি অফিসার দেবল সরকারের যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান সোয়েব আহমদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি প্রণয় কুমার দে, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার উদ্দিন, বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আ.ন.ম আব্দুল ওয়াদুদ, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রাহেনা বেগম হাসনা, থানার ওসি মো. ইয়াছিনুল হক, বড়লেখা সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ অরুন কুমার চক্রবর্তী, নারীশিক্ষা একাডেমি ডিগ্রী কলেজের উপাধ্যক্ষ একেএম হেলাল উদ্দিন, আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল লতিফ, ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজ উদ্দিন, বিদ্যুৎ কান্তি দাস, বৃক্ষরোপনে প্রধানমন্ত্রীর পুরস্কারপ্রাপ্ত বড়লেখার বৃক্ষবন্ধু নার্সারীর মালিক সোনাহর আলী প্রমূখ।

উখিয়ায় এনজিও অফিসে বিপুল পরিমাণ দা, কুড়াল

কক্সবাজারের উখিয়ায় এনজিও সংস্থা শেড অফিস থেকে রোহিঙ্গাদের মাঝে বিতরণের জন্য মজুদকৃত বিপুল পরিমাণ দা, কুড়াল ও লাঠিসহ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার দিকে মিলভিটাস্থ শেড অফিসে অভিযান চালিয়ে এ সব নিষিদ্ধ সামগ্রী জব্ধ করে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফখরুল ইসলাম।

তিনি সাংবাদিকদের বলেন, রোহিঙ্গাদের এই ধরনের ক্ষতিকর দা, কুড়াল, হাতুড়ি ও লাঠি সরবরাহ দেয়া নিষেধ। তাই এ সব মালামাল জব্ধ করা হয়েছে।

ফখরুল ইসলাম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এনজিও সংস্থা শেড অফিস এবং গুদামে অভিযান চালিয়ে ১ হাজার ৭০০ দা, ২ হাজার ২০০ বেলচা, ১ হাজার ১০০ হাতুড়ি, ১ হাজার ১০০ কোদাল, ১ হাজার ১০০ লাঠি জব্ধ করে উপজেলা নিবার্হী অফিসারের কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়েছে। তবে এসব মালামাল বিতরণের অনুমতিপত্র দেখাতে না পারলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

অভিযানের সময় শেড এনজিও প্রজেক্ট ম্যানেজার সরওয়ার হাসান জানান, এসব দা, কুদাল, বেলচা, ছুরি, হাতুড়ি ও লাঠিগুলো আইওএম তাদেরকে দিয়েছে। এফডি-৭ এর অনুমতি শেষ হওয়ায় ক্যাম্পে বিতরণ না করে আইওএম এসব মালামাল স্থানীয়দের মাঝে সরবরাহ করার জন্য শেডকে দিয়েছে বলে তিনি জানান।

জানাগেছে, ২০১৭ সালের আগস্ট থেকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কাজ করে যাচ্ছে এনজিও সংস্থা শেড। রোহিঙ্গাদের মাঝে এসব নিষিদ্ধ দেশীয় অস্ত্র সরবরাহের জন্য মজুদ করেছিল বলে স্থানীয়দের ধারণা।

পদ্মা সেতুর টোলের হার নির্ধারণ

বাংলাদেশ সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ২০২১ সালের জুনে গাড়ি চলবে পদ্মা সেতু দিয়ে। নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন এ সেতুর নির্মাণ খরচ পরিশোধ করবে সেতু বিভাগ। সেতু দিয়ে চলাচল করা যানবাহন থেকে নেওয়া টোলের টাকা হবে নির্মাণ খরচ পরিশোধের উৎস। এ জন্য এখন পদ্মা সেতুর টোলের হার নির্ধারণের প্রক্রিয়া চলছে।

এদিকে ২০২১-২২ অর্থবছর থেকে অর্থ বিভাগকে নির্মাণ খরচের টাকা পরিশোধ শুরু করবে সেতু বিভাগ। ৩৫ বছরের মধ্যে তা পরিশোধের কথা রয়েছে। সেতু বিভাগের সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘পদ্মা সেতুর টাকা ফেরতের জন্য সম্প্রতি অর্থ বিভাগের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে।’

তাছাড়া ঋণের টাকা চুক্তি অনুযায়ী পরিশোধ করবে সেতু কর্তৃপক্ষ। কত সময়ের মধ্যে পরিশোধ করবে তা চুক্তিতেই স্পষ্ট করা আছে। জানা গেছে, পদ্মা সেতু চালুর পর টোলেরটোলের হার কী হবে এ নিয়ে প্রস্তুতি চলছে।

এদিকে অর্থ বিভাগের সঙ্গে গত ২৯ আগস্ট সেতু কর্তৃপক্ষের চুক্তির পর বি’ষয়টি আরও গুরুত্ব পায়। এ প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ২৯ হাজার ৮৯৩ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে সরকার। ১ শতাংশ সুদহারে সুদসহ ঋণ পরিশোধ করবে সেতু কর্তৃপক্ষ।

এদিকে ঋণ পরিশোধের শিডিউল অনুযায়ী প্রতি অর্থবছরে প্রায় সর্বনিম্ন ৮২৬ কোটি থেকে সর্বোচ্চ এক হাজার ৪৭৫ কোটি টাকা পরিশোধ করতে হবে। এই টাকা আদায় করা হবে টোলের মাধ্যমে।

সেতুর নির্মাণকাজ শেষে গাড়ি চলাচলের ১৫ বছর পর ১০ শতাংশ বা যৌক্তিক হারে টোল বাড়বে বলে অর্থ বিভাগের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত পদ্মা সেতুর মূল কাজের বাস্তব অগ্রগতি ৮৩ শতাংশ। সেতুটি চালু হলে জিডিপি ১ দশমিক ২ শতাংশ বাড়বে বলে আশা করছে সরকার।

এদিকে ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এ সেতুটি চালু হলে ১০ মিনিটেই পদ্মা নদী পাড়ি দেওয়া সম্ভব বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। বর্তমানে ফেরির মাধ্যমে শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী ঘাট হয়ে পদ্মা পার হয় যানবাহন। এ জন্য সময় লাগে প্রায় আড়াই ঘণ্টা।

এদিকে প্রথমে আলোচনা ছিল ৪৫ বছরে সেতুর নির্মাণ খরচ পরিশোধ করা হবে। পরে ১০ বছর কমিয়ে ৩৫ বছর ধরা হয়। বার্ষিক যান চলাচলের গড় হিসাব পর্যালোচনা শেষে টোলের হার চিন্তা করা হচ্ছে।

জানা যায়, যানবাহনের শ্রেণিভেদে টোলের হার নির্ধারণ করা হবে। সূত্রমতে, পদ্মা সেতুতে একটি মোটরসাইকেল পাড়ি দিতে গুনতে হবে ১০৫ টাকা। আর কার, জিপের মতো হালকা যানবাহনের টোল হবে ৭৫০ টাকা। ছোট বাসের জন্য (২৯ আসন বা তার কম) ২০২৫ টাকা, বড় বাস (৩০ আসন বা তার বেশি) ২৩৭০ টাকা, ছোট ট্রাক (৫ টন বহন ক্ষমতা) ১৬২০ টাকা, মাঝারি ট্রাক (৫ থেকে ৮ টন) ২১০০ টাকা, বড় ট্রাক (৮ টনের বেশি বহন ক্ষমতা) ২৭৭৫ টাকা, মাইক্রোবাস ১২৯০ টাকা, ট্রেইলার ৪০০০ টাকা (৪ এক্সেল পর্যন্ত)। চার এক্সেলের বেশি ট্রেইলার হলে এক্সেলপ্রতি ১৫০০ টাকা অতিরিক্ত চার্জ ধরা হবে।

ঘুষ দিয়ে বায়তুশ শরফ স্কুলে ভর্তি হওয়া রোহিঙ্গা তরুণী এখন বাংলাদেশের সংগঠনের নেত্রী!

: ইন্টারনেটে আন্তর্জাতিক বার্তাসংস্থা জার্মানীর ডয়চে ভেলে কর্তৃক প্রচারিত দেড় মিনিটের একটি ভিডিওেেত দেখা যায়
রোহিঙ্গা তরুণী রহিমা আকতার ওরফে রাহী খুশির উখিয়ার কুতুপালং শরনার্থী শিবিরে একটি এনজিওর কর্মী হিসেবে তার স্বদেশী রোহিঙ্গাদের সাক্ষাতকার নিচ্ছেন। ভিডিওটিতে উল্লেখ করা হয়, ১৯৯২ সালে রোহিঙ্গা তরুণী রহিমা আকতার ওরফে রাহী খুশির পরিবার একইভাবে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছিলো। সেখানে বলা হয়,রোহিঙ্গা শরনার্থীদের সন্তানরা বৈধভাবে বাংলাদেশের কোনো স্কুলে পড়তে পারে না। তাই রোহিঙ্গা পরিচয় লুকিয়ে এবং ঘুষ দিয়ে কক্সবাজারের একটি স্কুলে ভর্তি হয়েছিলেন খুশি। এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রোহিঙ্গা পরিচয় লুকিয়ে এবং ঘুষ দিয়ে ভর্তি হওয়া সেই স্কুলটি হলো,কক্সবাজার শহরের বৈল্যাপাড়ার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমি।
জানা গেছে, খুশি কক্সবাজার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমি থেকে এসএসসি ও কক্সবাজার সরকারি মহিলা কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন।বর্তমানে তিনি কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী। কক্সবাজারের ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে এলএলবি অনার্স পড়ছেন।
এই রোহিঙ্গা তরুণী রহিমা আকতার ওরফে রাহী খুশি, বাংলাদেশের একটি শীর্ষস্থানীয় দৈনিক পত্রিকার সংগঠন বন্ধুসভার জেলা কমিটির অর্থ সম্পাদক। এছাড়াও ওমেনলার্নিংথসেন্টার, মার্কিফাউন্ডেশন কক্সবাজার সরকারি কলেজের স্কাউটসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত।
সম্প্রতি বার্তাসংস্থা ডয়চে ভেলে খুশির দেড় মিনিটের ভিডিওটি ইন্টারনেটে প্রচার করলে তার রোহিঙ্গা পরিচয় ফাঁস হয়ে যায়। তার সহপাঠিরাও রীতিমতো বিস্মিত খুশী একজন রোহিঙ্গা এবং সরকারী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বাংলাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী।
ফেসবুকে সুজন দত্ত লিখেছেন, আমি আজ জানতে পেরেছি যে খুশি একজন রোহিঙ্গা। এতদিন জানতাম না বিষয়টি।
তাহামিদুল মুনতাসির লিখেছেন, ও মাই গড! এই মেয়েটা রোহিঙ্গা!! সে বিবিসি মিডিয়া নামে একটা এনজিওতে চাকরি করে সম্ভবত। কয়দিন আগে ছিনতাইকারী মেরে পেপার হেডলাইন হয়েছিল।
আরিফ শিকদার বাপ্পী লিখেছে, তথ্য বহুল আলোচিত এটি, আশাকরি এর গুণে প্রশংশিত নাহয়ে এখনি প্রতিবাদ করা প্রয়োজন। কক্সবাজার সহ দেশের সকল প্রতিষ্টানের ভর্তি বাণিজ্যে লিপ্ত না হয়ে দেশের স্থার্থে কঠোর হওয়া দরকার।

১৪ লাখ বাসিন্দাকে বাংলাদেশে ঢুকানোর হুমকি আসামের মন্ত্রীর

গতকাল ভারতের আসামে চূড়ান্ত নাগরিক পঞ্জী (এনআরসি) প্রকাশিত হয়েছে।

এনআরসি-তে আসামের ১৯ লাখ বাসিন্দার নাম বাদ পড়েছে। আসামের অর্থমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা দাবি করেছেন, ১৪ লাখ মানুষ বেআইনিভাবে বাংলাদেশ থেকে ভারতে এসেছেন। ওই ১৪ লাখ মানুষকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে দেওয়া হবে। তিনি জানান, এ বিষয়ে আপোষের পথে হাঁটবে না আসামের বিজেপি সরকার।

গতকাল এমনই বার্তা দিয়েছেন হিমন্ত বিশ্বশর্মা।

হিমন্ত বিশ্বশর্মার দাবি, সীমান্তবর্তী জেলার বাসিন্দাদের নথি আবার খতিয়ে দেখা উচিত। তাঁরা নথিতে কারচুপি করেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি বলেছেন, ১৪ লাখ বেআইনি শরণার্থীকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে দেওয়া হবে। এই বিষয়ে তিনি বাংলাদেশের সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানান

জানা গেছে, ওই তালিকা থেকে বাদ যাওয়া ১৯ লাখ শরণার্থী আবার তাঁদের নথি জমা দিয়ে তালিকায় নাম তোলার আবেদন জানাতে পারবেন।

আর এই আবেদন করতে হবে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে।

এদিকে, এনআরসি তালিকা থেকে ১৯ লাখ বাসিন্দার নাম বাদ পড়া নিয়ে গতকালই তীব্র আক্রমণ করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

টুইটে এনআরসির সমালোচনা করে তিনি বলেছেন, কোনোভাবেই এই অন্যায় মেনে নেওয়া যাবে না। পুরোটাই রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত বলে দাবি করেছেন তিনি।

মমতার ওই বক্তব্যের পাল্টা জবাবে হিমন্ত অভিযোগ করেছেন, মমতা এনআরসির বিরোধিতা করছেন। কারণ তাঁরা তাঁর ভোট ব্যাঙ্ক।

হিমন্তের এই বক্তব্যের পরেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে আসামে। তালিকা থেকে বাদ পড়া ১৯ লাখ বাসিন্দা আতঙ্কে দিনযাপন করছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

অন্যদিকে আসামের সংবাদমাধ্যম যুগশঙ্খ জানিয়েছে, হিমন্ত বিশ্বশর্মার ওই বক্তব্যের প্রেক্ষিতে তাঁর পদত্যাগ দাবি করেছেন কংগ্রেস বিধায়ক আব্দুল খালেক।

এনআরসি তালিকা প্রকাশ পেতেই কেন্দ্র ও রাজ্য বিজেপিকে একহাত নিয়েছেন আসামের বরপেটার কংগ্রেস বিধায়ক আব্দুল খালেক। এনআরসি ইস্যুতে বিজেপি নেতা হিমন্ত বিশ্বশর্মা সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশকে অপমান করেছেন বলে তার পদত্যাগ দাবি করেন তিনি।

বিজেপি নেতা হিমন্ত বিশ্বশর্মা ও শিলাদিত্য দেবকে রাজনীতির পরিবেশ দূষণকারি হিসেবেও কটাক্ষ করেন তিনি।

বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে খালেক বলেছেন, ভারতের মাটিতে আশ্রিত বাংলাদেশীরা এদেশেই থাকবেন।

সূত্র : ওয়ান ইন্ডিয়া, যুগশঙ্খ

Design a site like this with WordPress.com
Get started